মেনু নির্বাচন করুন

চলনবিল কারিগরি ও কমার্স কলেজ, বিয়াঘাট, গুরুদাসপুর, নাটোর।

  • সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
  • প্রতিষ্ঠাকাল
  • ইতিহাস
  • প্রধান শিক্ষক/ অধ্যক্ষ
  • অন্যান্য শিক্ষকদের তালিকা
  • ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা (শ্রেণীভিত্তিক)
  • পাশের হার
  • বর্তমান পরিচালনা কমিটির তথ্য
  • বিগত ৫ বছরের সমাপনী/পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল
  • শিক্ষাবৃত্ত তথ্যসমুহ
  • অর্জন
  • ভবিষৎ পরিকল্পনা
  • ফটোগ্যালারী
  • যোগাযোগ
  • মেধাবী ছাত্রবৃন্দ

বর্হিবিশ্বে যখন কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি তৈরী করে সমৃদ্ধের পথে অগ্রসর হচ্ছে। তখন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার আমাদের মত হতদরিদ্র দেশের সম্ভাবনাময় জনশক্তিকে কাজে লাগিয়ে দেশে নতুন করে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালু করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। সরকারের সেই মহতি উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে সরকারের হাত কে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে নাটোর জেলার গুরুদাসপুর উপজেলার চলনবিলের প্রাণ কেন্দ্র বিয়াঘাট গ্রামের কতিপয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উদ্যোগে এক কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তৈরী করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। দেশের উত্তরাঞ্চলের ইতিহাসখ্যাত চলনবিল এলাকার হাটিকুমড়ুল-বনপাড়া বিশ্বরোড, কাছিকাটা টোল প্লাজা সংলগ্ন নাটোর জেলার গুরুদাসপুর উপজেলার বিয়াঘাট গ্রামে নন্দকুজা নদীর পার্শ্বে বিয়াঘাট-নাজিরপুর R1রোড সংলগ্ন ঐতিহ্যবাহী সরদার বাড়ীর পশ্চিম পার্শ্বে মনোরম প্রামীণ পরিবেশে ১০১ শতাংশ উচু জমির উপর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয়। বিয়াঘাট গ্রামের ঐতিহ্যবাহী সরদার পরিবারের আলহাজ মোঃ ইসমাইল হোসেন সরদার ও তাঁর পত্নী মোছাঃ মোমেনা খাতুন এবং এম,এ সাত্তার সরদার ও তাঁর পত্নী মোছাঃ আনোয়ারা খাতুন প্রতিষ্ঠান স্থাপনের জমি দান করার সদয় সম্মতি দেওয়ায় সরদার পরিবারের কৃতি সন্তান অধ্যক্ষ মোঃ মকলেছুর রহমান (এলিন) ২০০০ ইং সালের ২ ফেব্রুয়ারী তৎকালীন সরকারের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী চলনবিলের হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ কৃতি সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক আলহাজ মোঃ আব্দুল কুদ্দুস (এম,পি) ও তার পত্নী

আলহাজ্ব রওশন আরা ও তাঁদের সুযোগ্য কন্যা কোহেলী কুদ্দুস (মুক্তি) এর নেতৃত্বে এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ দের সঙ্গে নিয়ে বেসরকারী উদ্যোগে অত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয়। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা (দেশরত্ন) র নেতৃত্বে গঠিত (১৯৯৬-২০০০) সরকারের বেকারত্ব দূরীকরণ, দারিদ্র বিমোচন, ব্যবসা-বাণিজ্য-বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার লক্ষ্যে তার গৃহীত সরকারী কর্মসূচীর অধীন খুব অল্প সময়ের মধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয়। মাত্র ৩০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে গুরুদাসপুর উপজেলার মোঃ মকলেছুর রহমান (এলিন), পিতা- আলহাজ মোঃ ইসমাইল হোসেন, মাতা- মোছাঃ মমেনা খাতুন ২০০০ ইং সালে ২১শে ফেব্রুয়ারীতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির অগ্রযাত্রা শুরু করেন। বর্তমানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২৪০ জন। সংক্ষেপে বলা যায় চলনবিল কারিগরি ও কমার্স কলেজ বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের একটি স্বতন্ত্র কারিগরি মডেল স্কুল এন্ড কলেজ হিসাবে সাফল্য অর্জন করেছে।

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল
মোঃ মক্লেছুর রহমান ০১৭৩৩১১৩৬৮১ moklesur_rahman@gmail.com

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল

ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা (শ্রেণীভিত্তিক):

শ্রেণী

ছাত্র

ছাত্রী

মোট

৯ম

৭১

১৯

৯০

১০ম

২৩

০৩

২৬

একাদশ

৫১

২০

৭১

দ্বাদশ

৩৬

১৬

৫২

৬৩%

ক্রমিক নং

নাম ও ঠিকানা

পদ মর্যাদা

কমিটিতে পদবী

        1        

মোছাঃ মাজেদা ইয়াসমীন

উপজেলা নির্বাহী অফিসার, গুরুদাসপুর, নাটোর।

পদাধিকার বলে

সভাপতি

       2        

মোঃ মকলেছুর রহমান

অধ্যক্ষ

পদাধিকার বলে

সদস্য সচিব

       3        

আলহাজ্ব মোঃ ইসমাইল হোসেন

বিয়াঘাট, গুরুদাসপুর, নাটোর।

প্রতিষ্ঠাতা প্রতিনিধি

সদস্য

        4        

মোছাঃ মোমেনা খাতুন

বিয়াঘাট, গুরুদাসপুর, নাটোর।

দাতা প্রতিনিধি

সদস্য

       5        

মোঃ আব্দুর রশিদ সরকার

বিয়াঘাট, গুরুদাসপুর, নাটোর।

শিক্ষানুরাগী প্রতিনিধি

সদস্য

       6        

এম,এ, সাত্তার

বিয়াঘাট, গুরুদাসপুর, নাটোর।

বিদ্যোৎসাহী প্রতিনিধি (পুরুষ)

সদস্য

       7        

মোছাঃ খালেদা বেগম

বিয়াঘাট, গুরুদাসপুর, নাটোর।

বিদ্যোৎসাহী প্রতিনিধি (মহিলা)

সদস্য

       8        

মোঃ সোহেল আনোয়ার সাইফুল

গুরুদাসপুর, নাটোর।

অভিভাবক প্রতিনিধি

সদস্য

       9        

মোঃ রহমত আলী

বিয়াঘাট, গুরুদাসপুর, নাটোর।

অভিভাবক প্রতিনিধি

সদস্য

    10        

মোঃ আছাদুজ্জামান

প্রভাষক, কম্পিউটার অপারেশন

শিক্ষক প্রতিনিধি

সদস্য

    11        

মোঃ আশিকুল হক

ইন্সট্রাক্টর, ফুড প্রসেসিং এন্ড প্রিজারভেশন ট্রেড

শিক্ষক প্রতিনিধি

সদস্য

পাশের বছর

অংশগ্রহনকাণী

পরীক্ষার্থী সংখ্যা

পাশের সংখ্যা

পাশের হার

এসএসসি

এইচএসসি

এসএসসি

এইচএসসি

এসএসসি

এইচএসসি

২০০৭

২২

৪০

০৭

২৩

৩২%

৫৮%

২০০৮

২২

২৭

১৩

২১

৫৯%

৭৭%

২০০৯

২১

৪২

১০

২৩

৪৮%

৫১%

২০১০

১৮

৭২

১৬

৬৬

৮৯%

৯২%

২০১১

১৮

৪০

১৩

২৮

৭২%

৭০%

উপবৃত্তি ও অন্যান্য সরকারী বৃত্তির অর্ন্তভূক্ত।

মাত্র ৩০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে গুরুদাসপুর উপজেলার মোঃ মকলেছুর রহমান (এলিন), পিতা- আলহাজ মোঃ ইসমাইল হোসেন, মাতা- মোছাঃ মমেনা খাতুন ২০০০ ইং সালে ২১শে ফেব্রুয়ারীতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির অগ্রযাত্রা শুরু করেন। বর্তমানে  অত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির সাফল্য দেখে উপজেলার ১৩টি কারিগরি স্কুল ও কলেজ গড়ে উঠে এবং নাটোর জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ৪৬টি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠে। প্রত্যাশা এই যে, কোন প্রতিষ্ঠানেই শিক্ষার্থী সংখ্যা কম নাই, আসন পূর্ণ। শতশত ছেলে-মেয়েদের বেকারত্ব দুরীকরণ হয়েছে এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের পরীক্ষায় নাটোর জেলায় আমরা জেনারেল শিক্ষার্থীর চেয়ে বেশি শিক্ষার্থী কর্মমুখী, উৎপাদনমুখী, দক্ষ ও স্বনির্ভর করে গড়ে তুলছি।

ভবিষ্যতে কৃষি ডিপ্লোমা শিক্ষা কার্যক্রমকে অন্তর্ভূক্ত  করে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ভাবে মান সম্মত শিক্ষার্থী তৈরী করা, নলেজ নেটওয়ার্কের সাথে শিক্ষার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেয়া, স্কিলড্ নেটওয়ার্ক গড়ে তুলে বেকারত্ব ও দারিদ্রতা দুরী করনের  মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশকে স্বয়ং সম্পুর্ণ করে গড়ে তোলা।



Share with :

Facebook Twitter